আপনি এই ওয়েবসাইটের একটি টেক্সট(লিখিত) সংস্করণ দেখছেন, যা কম ডেটা ব্যবহার করছে। ছবি ও ভিডিওসহ মূল সংস্করণ দেখতে এখানে ক্লিক করুন
পত্রিকা: 'পদ্মা রেললাইনে চুরির উৎসব'
আজকের পত্রিকার প্রধান শিরোনাম— পদ্মা রেললাইনে চুরির উৎসব।
এই খবরে বলা হয়েছে, প্রায় ৩৮ হাজার ৬২৯ কোটি টাকা ব্যয়ে ঢাকা থেকে পদ্মা সেতু হয়ে যশোর পর্যন্ত নির্মিত ২৩৬ কিলোমিটার নতুন রেললাইন দেশের অন্যতম বৃহৎ রেল অবকাঠামো প্রকল্প।
জনবলসংকট, সীমিত ট্রেন চলাচল এবং যথেষ্ট নিরাপত্তা না থাকার সুযোগে ব্যয়বহুল এ রেলপথের বিভিন্ন স্থাপনা ও যন্ত্রাংশ চুরি হয়ে যাচ্ছে।
এতে একদিকে যেমন রাষ্ট্রের আর্থিক ক্ষতি হচ্ছে , অন্যদিকে বিঘ্নিত হচ্ছে ট্রেন চলাচলের নিরাপত্তা।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, নতুন রেললাইন থেকে প্রায় ৯৩ ধরনের গুরুত্বপূর্ণ রেল অবকাঠামোর অংশ ও যন্ত্রাংশ চুরি হয়েছে।
সম্প্রতি পদ্মা সেতু রেল সংযোগ প্রকল্পের পরামর্শক প্রতিষ্ঠান কনস্ট্রাকশন সুপারভিশন কনসালট্যান্ট (সিএসসি) এ বিষয়ে বাংলাদেশ রেলওয়েকে একটি বিস্তারিত চিঠি দিয়েছে।
চিঠিতে পুরো প্রকল্প করিডরজুড়ে নিয়মিত চুরি ও নাশকতার ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে।
দেশে উৎপাদনে থাকা গ্যাস ক্ষেত্রের মজুদ নেমে এসেছে ৬ টিসিএফে— বণিকা বার্তার প্রধান সংবাদ এটি।
এই খবরে বলা হয়েছে, দেশে উৎপাদনে থাকা গ্যাস ক্ষেত্রের সংখ্যা বর্তমানে ২০টি। এই গ্যাস ক্ষেত্রগুলোয় চলতি বছরের জানুয়ারিতে গ্যাস মজুদ ছিল ৬ হাজার ৩২১ বিলিয়ন কিউবিক ফুট (বিসিএফ) বা ছয় টিসিএফের কিছু বেশি।
তবে চলতি বছরের জুন পর্যন্ত এ মজুদ ছয় টিসিএফে নেমে এসেছে। গ্যাস মজুদ নিয়ে পেট্রোবাংলার সাম্প্রতিক প্রকাশিত একটি প্রতিবেদন বিশ্লেষণে এ তথ্য পাওয়া যায়।
দেশে স্থানীয় গ্যাসের উৎপাদন এখন বছরে ৭০০ বিসিএফে নেমে এসেছে। সেই হিসাবে বর্তমান মজুদ দিয়ে চলবে মাত্র আট বছর।
প্রতি বছর গ্যাসের চাহিদা ও জোগানের যে বড় ব্যবধান তৈরি হচ্ছে, তাতে স্থানীয় গ্যাসের মজুদ বড় আকারে বাড়ানো না গেলে বিদ্যুৎ খাত থেকে শুরু করে শিল্প-কারখানা, নতুন বিনিয়োগ বড় ঝুঁকিতে পড়তে পারে বলে জানিয়েছেন খাতসংশ্লিষ্টরা।
End of বিবিসি বাংলায় আরও পড়তে পারেন:
দেশ রূপান্তরের প্রধান শিরোনাম— সাশ্রয়ী এলএনজি ছেড়ে কেন এলপিজি।
এই খবরে বলা হয়েছে, গৃহস্থালিতে পাইপলাইনের গ্যাস সরবরাহ নিয়ে বিশ্ব এক দিকে হাঁটলেও বাংলাদেশ যাচ্ছে উল্টোপথে।
সরকারের তরফ থেকে বারবার সারা বিশ্বে পাইপলাইনে গ্যাস সরবরাহ সংকুচিত হয়ে আসার কথা বলা হলেও পরিসংখ্যান বলছে অন্য কথা।
যেমন, প্রতিবেশী দেশ ভারতে বাড়ছে পাইপলাইনের গ্যাস সরবরাহের নেটওয়ার্ক। জাপানের শহর এলাকার বড় অংশে পাইপলাইনেই গ্যাস সরবরাহ করা হচ্ছে। এমনকি যুক্তরাষ্ট্রে গ্যাস ব্যবহারকারীদের একটি বড় অংশ পাইপলাইনের গ্যাসের ওপর নির্ভরশীল।
বিভিন্ন দেশ শহর এলাকায় গ্যাস সরবরাহের ক্ষেত্রে এখনো পাইপলাইনকেই সবচেয়ে সস্তা ও নিরাপদ মনে করছে।
তবে বাংলাদেশে এলএনজির আওতা কমে আসার শঙ্কার পাশাপাশি বাড়ছে এলপিজি-নির্ভরতা। বেসরকারি খাতের একতরফা নিয়ন্ত্রণ থাকায় এলপিজির দামে লাগাম টানাও কঠিন হয়ে পড়ছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এলপিজির পরিবর্তে এলএনজি আমদানি করে শহর এলাকায় পাইপলাইনে সরবরাহ বাড়ালে বছরে বাংলাদেশের এক বিলিয়ন ডলার সাশ্রয় সম্ভব।
গুম প্রতিরোধে আলাদা আইন করছে সরকার— সমকালের প্রধান শিরোনাম এটি।
এই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গুমকে গুরুতর ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে আলাদা আইন করার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।
এরই মধ্যে আইনটির খসড়া তৈরি করা হয়েছে। গত বুধবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সেই খসড়া নিয়ে উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক হয়েছে।
এতে গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকারের জন্য অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে জারি করা অধ্যাদেশের কিছু বিধানে পরিবর্তনের পাশাপাশি নতুন ধারা যুক্ত করা হয়েছে। অন্তর্বর্তী সরকারের ওই অধ্যাদেশ নির্ধারিত সময়ে সংসদে অনুমোদন না হওয়ায় আগেই কার্যকারিতা হারায়।
নতুন আইনের খসড়ায় সর্বোচ্চ সাজা অধ্যাদেশের মতোই মৃত্যুদণ্ড রাখা হলেও কারাদণ্ডের বিধানে পরিবর্তন আনা হয়েছে। এছাড়া, তদন্তকারী সংস্থার ক্ষেত্রেও পরিবর্তন এসেছে।
End of বিবিসি বাংলায় আরো পড়তে পারেন:
পাঠদানের শিক্ষক কম, প্রধান শিক্ষক নেই ৫৫% বিদ্যালয়ে— প্রথম আলোর প্রধান খবর।
এই খবরে বলা হয়েছে, দেশের অধিকাংশ সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় শিক্ষক সংকটের কারণে ধুঁকছে। পাশাপাশি অনেক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকের পদ ফাঁকা।
সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকের ৩৮৩টি পদ শূন্য, যা মোট পদের প্রায় ৫৫ শতাংশ। কিছু বিদ্যালয়ে এখনো প্রধান শিক্ষকের পদই সৃষ্টি হয়নি।
একই সঙ্গে প্রশাসনিক গুরুত্বপূর্ণ পদগুলোও দীর্ঘদিন শূন্য থাকায় বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা ও তদারকিও দুর্বল হয়ে পড়েছে।
শিক্ষাসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মতে, এই পরিস্থিতিতে মানসম্মত মাধ্যমিক শিক্ষা নিশ্চিত করা কঠিন।
বাংলাদেশ শিক্ষাতথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরোর (ব্যানবেইস) তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে দেশে ২০ হাজারের বেশি বিদ্যালয়ে মাধ্যমিক স্তরে পাঠদান হয়। আর সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় রয়েছে ৭০২টি। সরকারি এসব বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক-শিক্ষিকার অনুমোদিত পদ ১৫ হাজার ২৯৩টি। এর মধ্যে ২ হাজার ৮৪২টি পদ শূন্য, অর্থাৎ ১৮ শতাংশের বেশি পদে শিক্ষক নেই।
বর্তমান জনবলকাঠামো পর্যাপ্ত কি না, সেই প্রশ্নও রয়েছে। তার ওপর দীর্ঘদিন ধরে বিপুলসংখ্যক পদ শূন্য।
সম্প্রতি সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) মাধ্যমে ৭২৮ জন সহকারী শিক্ষক নিয়োগের সুপারিশ করা হয়েছে। তবে এই নিয়োগ সম্পন্ন হলেও উল্লেখযোগ্যসংখ্যক পদ শূন্যই থেকে যাবে।
শীর্ষ সন্ত্রাসীদের নামে চাঁদাবাজির অভিযোগ, মুখ খুলতে পারছেন না ব্যবসায়ীরা— নয়া দিগন্তের প্রথম পাতার একটি খবরের শিরোনাম এটি।
এই খবরে বলা হয়েছে, শীর্ষ সন্ত্রাসীদের নামে ব্যবহার করে রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় চাঁদাবাজির অভিযোগ উঠেছে।
ফুটপাথ থেকে শুরু করে ডিশ (ক্যাবল টিভি) ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ, ট্রাক টার্মিনাল, বাজার ব্যবস্থাপনা, ঠিকাদারি, অবৈধ জমি দখল এবং আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ঘটছে এসব চাঁদাবাজির ঘটনা।
যা ভয়ে মুখ ফুটে প্রকাশ করতে পারছেন না ভুক্তভোগীরা।
দীর্ঘদিন কারাগারে থাকা কয়েকজন তালিকাভুক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী জামিনে বের হওয়ার পর তাদের পুরনো সহযোগী ও ক্যাডারদের মাধ্যমে রাজধানীর অপরাধচক্র পুনর্গঠনের অভিযোগও উঠেছে।
সংবাদের প্রধান শিরোনাম— লঘুচাপের প্রভাব: জুলাই-আগস্টে বন্যার আশঙ্কা।
এই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, উজানে ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে জুলাই ও অগাস্ট মাসে দেশের ব্রহ্মপুত্র ও মেঘনা নদী অববাহিকায় বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র (এফএফডব্লিউসি)।
বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের নির্বাহী প্রকৌশলী সারদার উদয় রায়হান জানান, বর্তমানে এফএফডব্লিউসি দেশের অভ্যন্তরীণ নদী অববাহিকার জন্য ১০ থেকে ১৫ দিন আগেই বন্যার পূর্বাভাস দিতে সক্ষম। তবে উপকূলীয় নদীগুলোর ক্ষেত্রে তিন দিন আগে পূর্বাভাস দেওয়া যায়।
দেশের নদ-নদীর বর্তমান পরিস্থিতি সম্পর্কে তিনি বলেন, বর্তমানে ব্রহ্মপুত্র নদ অববাহিকার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হচ্ছে। তবে আগামী পাঁচ থেকে ছয় দিনের মধ্যে পরিস্থিতি স্থিতিশীল হতে পারে। আর অববাহিকা ও উজানে ভারী বৃষ্টিপাত না হওয়ায় আগামী কয়েক দিন মেঘনা নদী অববাহিকার পরিস্থিতি স্থিতিশীল থাকবে।
এছাড়া, চলতি মাসে বঙ্গোপসাগরে একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে, যার ফলে দেশের উপকূলীয় অঞ্চলের নিম্নাঞ্চলে আকস্মিক বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বলে জানালেন এফএফডব্লিউসির এই নির্বাহী প্রকৌশলী।
টাইমস অব বাংলাদেশের প্রথম পাতার খবর— Army intensifies CHT ops to thwart armed groups; অর্থাৎ পাহাড়ে সশস্ত্র গোষ্ঠী রুখতে সেনা অভিযান জোরদার।
এই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পার্বত্য চট্টগ্রামে পাহাড়ি সশস্ত্র গোষ্ঠীর তৎপরতা রুখতে অভিযান জোরদার করেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী।
গত ২৪শে জুন থেকে খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি ও বান্দরবানের বিভিন্ন দুর্গম এলাকায় ধারাবাহিক অভিযান পরিচালনা করছে সেনাবাহিনী। সবশেষ বৃহস্পতিবার বান্দরবানের রেতলাং এলাকায় বিশেষ অভিযান চালানো হয়।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেছেন, "হঠাৎ করে পাহাড়ের সশস্ত্র সংগঠনগুলোর তৎপরতা বৃদ্ধির পেছনে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক নানা ইস্যু রয়েছে। পাহাড়ে অস্থিরতা সৃষ্টি করে একটি পক্ষ দেশকে অস্থিতিশীল করতে চায়। সেই তৎপরতা রুখতেই সেনাবাহিনী কাজ করছে। পাশাপাশি গোয়েন্দা তৎপরতাও বৃদ্ধি করা হয়েছে।"
অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।
দ্য ডেইলি স্টারের প্রধান শিরোনাম— Municipal services falter amid staff, leadership gaps; অর্থাৎ কর্মী ও নেতৃত্বের ঘাটতিতে পৌরসভার সেবা ব্যাহত।
এই খবরে বলা হয়েছে, নির্বাচিত মেয়র ও কাউন্সিলর না থাকা এবং জনবলের তীব্র ঘাটতির কারণে সারাদেশে পৌরসভাগুলো বেশ হিমশিম খাচ্ছে।
যার ফলে পৌর প্রশাসন কাঠামো দুর্বল হওয়ার পাশাপাশি বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, রাস্তা রক্ষণাবেক্ষণ থেকে শুরু করে ট্রেড লাইসেন্স ও জন্মনিবন্ধন সনদ প্রদানের মতো নাগরিক সেবা ব্যাহত হচ্ছে।
আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর চব্বিশের অগাস্টেই স্থানীয় সরকার বিভাগ এক আদেশে দেশের ৩২৯টি পৌরসভার মধ্যে ৩২৩টির নির্বাচিত মেয়র ও কাউন্সিলরদের অপসারণ করে। বাকি পৌরসভাগুলোতে থাকা প্রশাসকদেরও সরিয়ে দেওয়া হয়।
এরপর স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, জ্যেষ্ঠ সহকারী কমিশনার এবং সহকারী কমিশনারদের (ভূমি) পৌরসভাগুলোর প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়।
নিযুক্ত প্রশাসকদের অনেকেই একই সঙ্গে তাদের নিয়মিত প্রশাসনিক দায়িত্বও পালন করে যাচ্ছেন।
এছাড়া, পৌরসভাগুলোতে অনুমোদিত প্রায় ৫০ হাজার পদের মধ্যে ৩১ হাজার ১৪২টি পদই শূন্য পড়ে আছে। জনবল সংকটের কারণে কর্মীদের একাধিক দায়িত্ব পালন করতে হচ্ছে।
বাংলাদেশ পৌরসভা সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি আব্দুল আলিম মোল্লা বললেন, যখন একজন কর্মকর্তাকে একাধিক দায়িত্ব দেওয়া হয়, তখন কোনো কাজই সঠিকভাবে সম্পন্ন হয় না। এর ফলে নাগরিক সেবা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়।
কালের কণ্ঠের দ্বিতীয় প্রধান খবর— সাড়ে ৫ বছরে ৪৭ মণের বেশি সোনা জব্দ।
এই খবরে বলা হয়েছে, গত সাড়ে পাঁচ বছরে প্রায় এক হাজার ৯০২ কেজি চোরাচালানের স্বর্ণ জব্দ করা হয়েছে ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে।
জব্দ করা এসব স্বর্ণের দাম বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশনের গতকাল শুক্রবার নির্ধারিত ২২ ক্যারেটের মূল্য ধরে (প্রতি ভরি দুই লাখ ২৮ হাজার ৫৫৬ টাকা) প্রায় তিন হাজার ৭২৮ কোটি টাকা।
গত কয়েক বছরে এই বিমানবন্দর আন্তর্জাতিক স্বর্ণ চোরাকারবারিদের অন্যতম করিডর হয়ে ওঠে। বিশেষ করে দুবাইকেন্দ্রিক স্বর্ণ চোরাচালান চক্রগুলো অভিনব সব উপায়ে সক্রিয় হয়ে ওঠার চেষ্টা অব্যাহত রেখেছে।
এছাড়া, চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এবং সিলেটের ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরও স্বর্ণ চোরাচালানের প্রবেশপথ হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।