পত্রিকা: 'রাষ্ট্রপতি হচ্ছেন মির্জা ফখরুল'

দেশ রূপান্তর পত্রিকার খবর- রাষ্ট্রপতি হচ্ছেন মির্জা ফখরুল। খবরে বলা হচ্ছে, সব জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে মনোনয়ন দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
আগামী বুধবার দলীয়ভাবে রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থীর নাম আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হবে।
গতকাল রবিবার বিএনপির সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম জাতীয় স্থায়ী কমিটির একাধিক সদস্যসহ দলের কয়েক জ্যেষ্ঠ নেতা দেশ রূপান্তরকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
গতকাল নির্বাচন কমিশন থেকে রাষ্ট্রপতি পদের জন্য দুটি মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছে বিএনপি।
এদিকে রাষ্ট্রপতি পদে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যের প্রার্থী করা হয়েছে লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমদকে।
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনকে সামনে রেখে গতকাল থেকে মনোনয়নপত্র বিক্রি শুরু করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
এ ছাড়া রাষ্ট্রপতির শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান পরিচালনায় ৬ সদস্যের কমিটি গঠন করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।


প্রথম আলোর প্রধান খবর- মির্জা ফখরুলের রাষ্ট্রপতি হওয়া প্রায় নিশ্চিত।
বাংলাদেশের পরবর্তী রাষ্ট্রপতি হতে যাচ্ছেন বিএনপির মহাসচিব এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
বিএনপির উচ্চপর্যায়ের একাধিক সূত্র প্রথম আলোকে নিশ্চিত করেছে যে দলের চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তাঁর মনোনয়ন চূড়ান্ত করেছেন।
এ ছাড়া রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী হওয়ার জন্য মনোনয়নপত্রে প্রার্থীর সম্মতিসূচক স্বাক্ষর বা একটি লিখিত সম্মতি বিবৃতি দিতে হয়।
মির্জা ফখরুল গত শনিবার ওই বিবৃতিতে সই করেছেন বলেও ওই সূত্র জানিয়েছে।

কালের কণ্ঠ পত্রিকার আজকের খবর - ৩৫ বছর পর রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোটগ্রহণের সম্ভাবনা।
চারদিকে আলোচনা, কে হচ্ছেন দেশের পরবর্তী রাষ্ট্রপতি? এই আলোচনার মধ্যে নির্বাচন কমিশন (ইসি) থেকে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের দুটি মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছে বিএনপি।
অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য এই পদে লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) চেয়ারম্যান ড. কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বীরবিক্রমকে মনোনয়ন দিয়েছে; যদিও ভোটারের সংখ্যায় ১১ দলীয় ঐক্য বিএনপি ও তাদের জোটের তুলনায় অনেক পিছিয়ে।
নির্বাচন কর্মকর্তারা বলছেন, অলি আহমদের জয়ী হওয়ার সম্ভাবনা একেবারেই নেই, তবু এর ফলে ৩৫ বছর পর এবার বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচনের পরিবর্তে কিছুটা প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচন হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে।
নির্বাচন কমিশন বলছে, একাধিক ব্যক্তি রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রার্থী হলে ভোটের আয়োজন করা হবে।
আর নির্বাচনে একক প্রার্থী থাকলে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নতুন রাষ্ট্রপতিকে নির্বাচিত ঘোষণা করা হবে।
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হয় গত বৃহস্পতিবার।

মানবজমিন পত্রিকার খবর- হেফাজত আমীরের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ, ৯ দফা দাবি।
খবরে বলা হয়েছে, চট্টগ্রাম সফরে এসে ফটিকছড়িতে হেফাজত আমীর আল্লামা শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
প্রধানমন্ত্রী ফটিকছড়ির আল-জামিয়াতুল ইসলামিয়া আজিজুল উলুম বাবুনগর মাদ্রাসায় পৌঁছালে হেফাজত আমীর তাকে স্বাগত জানান।
এ সময় প্রধানমন্ত্রীকে বুকে জড়িয়ে ধরেন হেফাজত আমীর; তৈরি হয় এক আবেগঘন মুহূর্ত। পরে হেফাজতের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন প্রধানমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রীর কাছে ৯ দফা দাবি জানান হেফাজত নেতারা।
গতকাল বিকালে হেলিকপ্টারে করে ফটিকছড়ির পেহেলগাজী দীঘির মাঠে অবতরণ করেন প্রধানমন্ত্রী।
সেখানে স্থানীয় সাধারণ মানুষ তাকে অভ্যর্থনা জানান। পরে তিনি বাবুনগর মাদ্রাসায় গিয়ে হেফাজত আমীর আল্লামা শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।
প্রধানমন্ত্রী মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় অংশগ্রহণ করেন। সেখানে বিভিন্ন কওমি মাদ্রাসার শতাধিক শিক্ষক উপস্থিত ছিলেন।

বিবিসি বাংলার সর্বশেষ খবর ও বিশ্লেষণ এখন সরাসরি আপনার ফোনে।
ফলো করুন, নোটিফিকেশন অন রাখুন
বিবিসি বাংলার সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল
নয়া দিগন্ত পত্রিকার খবর- দুই প্রধানমন্ত্রী একসাথে বসলে অনেক সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে : ভারতের হাইকমিশনার
ভারত ও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী একসাথে বসলে অনেক সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে মন্তব্য করে ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী বলেছেন, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে আমরা অনেক সম্মান করি। আমি অনেকবার উনার বক্তৃতা শুনেছি। তিনি কথাগুলো অন্তর থেকে বলেন।
ত্রিবেদী বলেন, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জনগণের ব্যক্তিত্ব। আমাদের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও জনগণের ব্যক্তিত্ব। আমার মনে হয়, যখন এই দুই নেতা আলোচনা করবেন, অনেক সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে।
গতকাল রোববার রাজধানীর যমুনা ফিউচার পার্কে ভারতীয় ভিসা আবেদন কেন্দ্রে শিশুদের জন্য খেলার জায়গা উদ্বোধন শেষে তিনি এ কথা বলেন।
বাংলাদেশে ভারতের হাইকমিশনার হিসেবে রাষ্ট্রপতিকে পরিচয়পত্র পেশের দিনই তিনি এই কেন্দ্র পরিদর্শন করে ভিসা প্রক্রিয়ার জন্য অপেক্ষমাণ অভিভাবকদের সাথে আসা শিশুদের জন্য আলাদা খেলার জায়গা করার প্রতিশ্রুতি এবং বাংলাদেশীদের জন্য পর্যটন ভিসা আবারো চালু ঘোষণা দিয়েছিলেন।
দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, আমরা আলোচনা করলে সমস্যা চিহ্নিত হয়। আমার বিশ্বাস, দুই দেশের মানুষ এক আছে, সমস্যার সমাধান হবেই। এখানে নেতিবাচক কিছু নেই, সব ইতিবাচকই হবে।

বণিক বার্তা পত্রিকার খবর - কানাডা থেকে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়ায় প্রায় ১ হাজার বাংলাদেশী।
অবৈধভাবে বসবাস, বিভিন্ন ধরনের অপরাধে জড়িত বিদেশী নাগরিকদের দেশে ফেরত পাঠাতে তৎপরতা জোরদার করেছে কানাডা বর্ডার সার্ভিসেস এজেন্সি (সিবিএসএ)।
সংস্থাটির সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, কানাডা থেকে অবিলম্বে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে এমন নাগরিকদের তালিকায় শীর্ষ ১০টি দেশের মধ্যে উঠে এসেছে বাংলাদেশের নাম। দেশটি থেকে বর্তমানে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়ায় রয়েছেন প্রায় এক হাজার বাংলাদেশী নাগরিক।
জানা যায়, কানাডা সরকার অভিবাসন নীতি বাস্তবায়নে কঠোর অবস্থান নিয়েছে। দেশটিতে আশ্রয়প্রার্থী বিদেশী নাগরিকদের নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর সংখ্যা গত এক দশকের মধ্যে সর্বোচ্চে পৌঁছেছে।
অন্যদিকে ২০২৪ সালে বাংলাদেশে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগের অনেক নেতাকর্মী কানাডায় আশ্রয়প্রার্থী হিসেবে বসবাসের চেষ্টা করছেন। শুধু কানাডা নয়, সাম্প্রতিক সময়ে ইউরোপের অনেক দেশও বাংলাদেশী আশ্রয়প্রার্থীদের দেশে ফেরত পাঠাতে কঠোর হচ্ছে।

টাইমস অফ বাংলাদেশের খবর- Textbook delay fears return অর্থাৎ আবারও পাঠ্যবই পেতে দেরির শঙ্কা
সরকারি উদ্যোগের পরও পাঠ্যবই ছাপার কাজ ধীরগতিতে এগোনোয় ২০২৭ শিক্ষাবর্ষের শুরুতে শিক্ষার্থীরা আবারও সব বই হাতে না পাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
বাংলা মাধ্যমের পাঠ্যবই সংশোধনের কাজ অনেকটাই এগোলেও ইংরেজি মাধ্যমের বইয়ের কাজ মাত্র শুরু হয়েছে। এর পাশাপাশি ২০২৭ সালে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ে নতুন করে চালু হওয়ার কথা থাকা চারটি বইয়ের লেখার কাজও এখনও শুরু হয়নি।
২০২৫ ও ২০২৬ সালেও ছাপা, সংগ্রহ ও বিতরণে দেরির কারণে শিক্ষার্থীরা শিক্ষাবর্ষের শুরুতে পূর্ণ সেটের বই পায়নি। ২০২৫ সালে প্রাথমিকের প্রয়োজনীয় ৯ কোটি ১৯ লাখ বইয়ের মধ্যে শুরুতে সরবরাহ করা হয়েছিল মাত্র ৪ কোটি। মাধ্যমিকের প্রয়োজন ছিল ৩০ কোটি ৯৬ লাখ বই, যার মধ্যে শুরুতে দেওয়া হয় মাত্র ১ কোটি ৯০ লাখ।
ফলে সময়মতো বই ছাপা ও বিতরণ শেষ করা না গেলে ২০২৭ শিক্ষাবর্ষেও একই সংকট ফিরে আসতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

দ্য ডেইলি স্টার পত্রিকার খবর- Load shedding off the charts once again অর্থাৎ আবারও লাগামহীন লোডশেডিং।
সাম্প্রতিক বৃষ্টির পর বিদ্যুতের চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় সারা দেশে বিদ্যুৎ ঘাটতি আবারও তীব্র হয়েছে। এর সঙ্গে বিদ্যুৎকেন্দ্রে কয়লা সরবরাহে বিঘ্ন এবং গ্যাসের সংকট পরিস্থিতিকে আরও খারাপ করেছে।
পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশ -এর তথ্য অনুযায়ী, ৬ আগস্ট জাতীয় পর্যায়ে বিদ্যুৎ ঘাটতি ছিল ৩৩৫ মেগাওয়াট। ৭ আগস্ট তা বেড়ে ৭৪০ মেগাওয়াট এবং ৮ আগস্ট ২ হাজার ১৬৭ মেগাওয়াটে পৌঁছায়। গতকাল গড়ে প্রতি ঘণ্টায় প্রায় ৩ হাজার মেগাওয়াট লোডশেডিং হয়েছে।
এদিকে গ্যাস সরবরাহ কিছুটা বেড়ে বর্তমানে দিনে প্রায় ২ হাজার ৩৫০ মিলিয়ন ঘনফুট হয়েছে।
কক্সবাজারে এক্সিলারেট এনার্জির পরিচালিত ভাসমান এলএনজি টার্মিনালের কার্যক্রম আংশিক চালু হওয়ায় এই সরবরাহ বেড়েছে।
তবে টার্মিনালে ২১ জুলাই বিঘ্নের আগে জাতীয় গ্রিডে দৈনিক প্রায় ২ হাজার ৬৫০ থেকে ২ হাজার ৭০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ হতো।

আজকের পত্রিকার খবর- ঝরে পড়ার হার বাড়ছে। খবরে বলা হয়েছে, বিনা মূল্যে পাঠ্যবই ও উপবৃত্তিসহ নানা সরকারি উদ্যোগের পরও দেশে শিক্ষার্থী ঝরে পড়ার হার কমছে না।
প্রাথমিক থেকে উচ্চমাধ্যমিক পর্যন্ত সব স্তরেই প্রতিবছর উল্লেখযোগ্য সংখ্যক শিক্ষার্থী পড়াশোনা ছেড়ে দিচ্ছে। মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ে প্রতি তিনজনের একজন ঝরে পড়ছে, আর কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষায় হার আরও বেশি।
সবচেয়ে বেশি ঝরে পড়ছে উচ্চমাধ্যমিক বা এইচএসসি ও সমমান পর্যায়ে। এই স্তরে ঝরে পড়ার হার ৩৫ দশমিক ৯৮ শতাংশ। ছেলেদের তুলনায় মেয়েদের ঝরে পড়ার হারও বেশি। একই সঙ্গে প্রাথমিক পর্যায়েও বিদ্যালয় ছাড়ার হার বেড়েছে।
গবেষণা অনুযায়ী, পরিবারের আর্থিক সংকট, শিশুশ্রম, বাল্যবিবাহ, মূল্যস্ফীতি, প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও জলবায়ুজনিত ক্ষতি এর অন্যতম কারণ। এর পাশাপাশি বিদ্যালয়ে যাতায়াতের সমস্যা, শিক্ষার মান ও শেখার আগ্রহ কমে যাওয়া এবং অভিভাবকদের অনাগ্রহও শিক্ষার্থীদের ঝরে পড়ায় ভূমিকা রাখছে।

যুগান্তর পত্রিকার খবর- এক বছরে ৩০ বার বন্ধ রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র। এ খবরে বলা হচ্ছে, তীব্র গরমে দেশজুড়ে যখন লোডশেডিংয়ের ভোগান্তি, তখন দেশের অন্যতম বৃহৎ কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র রামপাল বন্ধ ও চালুর খেলায় মেতেছে।
যান্ত্রিক ত্রুটি এবং কয়লার অভাবে গেল এক বছরে ৩০ বার বন্ধ হয়েছে এর কোনো-না-কোনো ইউনিট।
এ কারণে বাগেরহাটের রামপালের বাংলাদেশ-ভারত মৈত্রী বিদ্যুৎ কোম্পানি (বিআইএফপিসিএল) নিয়ে মহাবিপাকে সরকার।
বিপুল অঙ্কের বিদেশি ঋণে নির্মিত কেন্দ্রটি এমন বেহাল হওয়ায় খোদ বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী ও সচিব গভীর উদ্বেগ ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।
সম্প্রতি বিদ্যুৎ সচিব মিরানা মাহরুখ এক বৈঠকে এর কারণ জানতে চান রামপাল কেন্দ্রের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রামানাথ পূজারীর কাছে।
তিনি বলেন, এভাবে একটি কেন্দ্র চললে সরকারের কোনো ভাবমূর্তি থাকবে না।








